গরমে ঘাম হওয়া স্বাভাবিক। আর ঘামের কারণে শরীরে দুর্গন্ধও সৃষ্টি হয়। তবে ঘাম ছাড়াও কিছু খাবার আছে যা মানুষের শরীরে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। তাই এমন খাবারগুলোকে বাছাই করে খাদ্য তালিকা থেকে বাদ রাখতে হবে।

দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন আনতে পারলে সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সেই খাবারগুলো সম্পর্কে যেগুলো শরীরে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে-

>> অতিরিক্ত মাত্রায় শর্করা জাতীয় খাবার খেলে তা রক্তে ‘কিটোন বডি’ তৈরি করে যা শরীরে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে।

>> অতিরিক্ত মাত্রায় দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার খেলে এর মধ্যে থাকা উপাদানগুলো ভেঙে হাইড্রোজেন সালফাইড এবং মিথাইল মারক্যাপশন তৈরি হয়। এই হাইড্রোজেন সালফাইড এবং মিথাইল মারক্যাপশন শরীরে দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে। তাই উপকারী হলেও দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার অতিরিক্ত মাত্রায় না খাওয়াই ভালো।

>> কৃত্তিম মিষ্টি, চকলেট, ক্যান্ডি অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে শরীরে ফ্যাটি আসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণও বৃদ্ধি পায়। একই সঙ্গে রক্তে ইস্টের পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে শরীরে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। তাই এগুলো কম পরিমাণে খাওয়া উচিত।

>> পেঁয়াজের মধ্যে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে সালফার জাতীয় উপাদান যা শরীরে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। পেঁয়াজ শরীরের পক্ষেও উপকারী। তাই যারা মাত্রাতিরিক্ত দুর্গন্ধ সমস্যায় ভোগেন তাদের পেঁয়াজ কম খাওয়াই ভালো।

>> পেঁয়াজের মতো রসুনেও রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে সালফার জাতীয় উপাদান যা শরীরে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। রসুনে থাকা সালফার উপাদান রক্তে মিশে যা শরীরে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। এই দুর্গন্ধই লোমকূপ এবং নিঃশ্বাসের সঙ্গে নির্গত হয়। তাই শরীরের মাত্রাতিরিক্ত দুর্গন্ধ দূর করতে রসুন কম খাওয়াই ভালো।

>> জিরা বা এই জাতীয় মশলাযুক্ত খাবার যতটা সম্ভব কম খান। কারণ জিরা বা এই জাতীয় মশলা শরীরে সালফার জাতীয় গ্যাস সৃষ্টি করে যা লোমকূপ এবং নিঃশ্বাসের সঙ্গে নির্গত হয়। ফলে শরীরে দুর্গন্ধও হয় বেশি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here