সিরিজ জয়ের মিশনে নিউজিল্যান্ডের দেওয়া লক্ষ্য তাড়া করছে বাংলাদেশ। মধ্যম মানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদের মুখে টাইগাররা।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ ওভারে ৪ উইকেটে ৩২ রান।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১২৮ রান করে নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশের হয়ে রান তাড়া করতে নামেন নাঈম শেখ ও লিটন দাস। দুজনের ব্যাটে টাইগারদের শুরুটা হয় দারুণ।

অতি আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে কোল ম্যাককনির বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন লিটন। এই ওপেনার ১১ বল খেলে করেন ১৫ রান। তিনে নামে মাহেদী হাসান ১ রান করলেও শূন্য হাতে সাজঘরে ফিরেছেন সাকিব। এই দুজনকে একই ওভারে ফিরিয়েছেন এজাজ প্যাটেল।

আরেক ওপেনার নাঈমও এদিন ব্যর্থ হয়েছেন। রাচিন রবীন্দ্রর মামুলি বল খেলতে গিয়ে বোল্ড হন ১৩ রান করা এই ব্যাটসম্যান। এমতাবস্থায় ম্যাচ হারের শঙ্কায় কাঁপছে বাংলাদেশ।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক টম লাথাম। কিউইদের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন ফিন অ্যালেন ও রাচিন রবীন্দ্র। মাহেদী হাসানের করা প্রথম ওভারেই দুটি চারের সাহায্যে ১১ রান তোলেন দুই ওপেনার। পূর্বাভাস দেন ঝড়ো শুরুর।

এমতাবস্থায় তৃতীয় ওভারে মুস্তাফিজুর রহমানকে আক্রমণে আনেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। নিজের প্রথম ডেলিভারিতেই ফিন অ্যালেনকে সাজঘরে ফেরান মুস্তাফিজ। রিয়াদের তালুবন্দী হওয়ার আগে এই ওপেনার ১০ বলে ১৫ রান করেন।

এরপর উইল ইয়ংকে নিয়ে ৩০ রানের জুটি গড়েন রবীন্দ্র। তিন বলের মাঝে ইয়ং ও কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমকে একইভাবে লেগ বিদোরের ফাঁদে ফেলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ইয়ং ২০ রান করলেও গ্রান্ডহোম রানের খাতাই খুলতে পারেননি।

বড় ইনিংসের আশা দেখানো রবীন্দ্রও ২০ রানের বেশি করতে পারেননি। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে শততম টি-২০ ম্যাচ খেলতে নামা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের বলে বোল্ড হন তিনি। এরপরই মাহেদী হাসানের বলে কট এন্ড বোল্ড হন ৫ রান করা টম লাথাম।

মাত্র ৬২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে অল্পেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে নিউজিল্যান্ড। তবে হেনরি নিকোলস ও টম ব্লান্ডেলের দৃঢ়তায় তা হয়নি। দুজনে গড়েন পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের অনবদ্য এক জুটি।

শেষ পর্যন্ত ৬৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন ব্লান্ডেল ও নিকোলস। দুজনে অপরাজিত থাকেন যথাক্রমে ৩০ ও ৩৬ রানে। বাংলাদেশের পক্ষে দুই উইকেট শিকার করেন সাইফউদ্দিন। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন মাহেদী, রিয়াদ ও মুস্তাফিজুর রহমান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here